স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা রেদওয়ানুল হক চৌ. রাজুর পরিবারের সদস্যরা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) আওতাভুক্ত জমির ওপর একটি একাডেমি নির্মাণ করছেন। তাদের দাবি, এ নির্মাণকাজের জন্য কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন গ্রহণ করা হয়নি এবং এটি সরকারি বিধি-বিধানের পরিপন্থী।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, নির্মাণাধীন একাডেমিটি মূল সড়কের অত্যন্ত কাছাকাছি—প্রায় দুই ফুটের মধ্যেই অবস্থিত। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, সড়কের এত কাছে স্থাপনা নির্মাণের ফলে যানবাহনের চাপের মধ্যে সেখানে পড়াশোনা করতে আসা শিশুদের জন্য যেকোনো সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রকাশ্যে নুমান হক ও সফওয়ান নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানানো হলেও অভিযোগ রয়েছে যে, প্রকৃতপক্ষে তাদের ভাই রেদওয়ানুল হক চৌ. রাজুর প্রভাবেই এই নির্মাণকাজ পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রার্থী হওয়ার কারণে সংশ্লিষ্টরা প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করছেন।
অনেক স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় অবৈধ নির্মাণকাজ অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর প্রশ্ন—সরকারি সড়কের ওপর বা সড়কের এত কাছাকাছি স্থাপনা নির্মাণ আইনত নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে এই নির্মাণকাজ চলতে পারে। তারা দ্রুত তদন্ত করে সরকারি জমি উদ্ধারের পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা আরও বলেন, বিষয়টি শুধু জমি দখলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি জননিরাপত্তা ও শিশুদের জীবনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |