বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নের সপ্তগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব শিশির মাস্টার। সুন্দর ও সাবলীল ভাবে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করিতেছিল।হাসিখুশিতে ভরপুর ছিল তার পরিবার। হঠাৎ এক কালো থাবা আর তার পরিবারকে ধ্বংস করে দিয়ে তার জীবনকে যন্ত্রণাময় করে তুলেছে।
পাথরঘাটা উপজেলায় হঠাৎ করে এক ভন্ড নেত্রীর উদয় হয়েছিল যে ছিল বৃহৎ প্রতারক চক্রের একজন ক্ষমতাধর সদস্য। নিজেকে স্বঘোষিত রেজিস্টার্ড সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন এবং স্বঘোষিত সভাপতি প্রতারক চক্রের প্রধান হাসিব কবির ঢাকাতে সুন্দর পরিপাটি অফিস নিয়ে তার কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে তার পিতা জনাব হুমায়ুন কবিরকে উপদেষ্টা রেখে মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এ বিষয়ে হুমায়ুন কবিরের সাথে আলাপ করলে তিনি বিষয়টি অবগত থাকলেও জড়িত বিষয়টি তিনি নাকজ করেন। হাসিব কবির এবং পাথরঘাটার মতিয়া একত্রিত হয়ে পাথরঘাটা এবং পিরোজপুরের রেজিস্টার্ড বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের লক্ষ্যে ঢাকা থেকে অফিসার পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোকজন নিয়ে পাথরঘাটা এবং পিরোজপুরে শিক্ষকদের নিয়ে মিটিং করেন। সেখানে রেজিস্টার্ড শিক্ষকরা উক্ত এলাকার সম্মানিত ব্যক্তি প্রধান শিক্ষক জনাব শিশির মাস্টারকে তাদের প্রতিনিধি করেন। রেজিস্টার বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণের লক্ষ্যে হাসির কবির এবং মতিয়া শিশির মাস্টারের প্রতিনিধিত্বে ১৫ জন শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায় আশি লাখ টাকার মত হাতিয়ে নেয়। এখানে মতিয়া আট/নয় লাখ টাকাএবং বাকি টাকা হাসিব কবির তার ব্যাংক একাউন্ট এবং বিকাশ মাধ্যমে গ্রহণ করে। এই টাকাগুলো শিক্ষকদের হলেও প্রতিনিধি জনাব শিশির মাস্টার এর কাছ থেকেই এরা বিভিন্নভাবে হাতিয়ে নেয়। কিছুদিন পরে হাসিব কবির পালিয়ে স্থান ত্যাগ করে এবং সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। বিপাকে পড়ে শিশির মাস্টার। আস্তে আস্তে মানুষের চাপ এবং দেনা পরিশোধের জন্য তিনি চরম অপমানিত হন। অপমান সহ্য করতে না পেরে বিশৃংখল সৃষ্টি হয় তার পরিবারে। অবশেষে কোন উপায় না পেয়ে ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করে কিছু টাকা পরিশোধ করেন এবং জমি বিক্রি করে আরো কিছু টাকা পরিশোধ করেন। এরপরও বিভিন্নভাবে তার উপরে অত্যাচার অন্যায় ভাবেই চাপ প্রয়োগ করে থাকে ভুক্তভোগী শিক্ষকরা টাকার জন্য। উপায় না পেয়ে তিনি চরা সুদে টাকা নেন পাথরঘাটা উপজেলার সুদের ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম মজিবর নামে এক লোকের কাছ থেকে। চার লাখ টাকা সুদ ব্যবসায়ী মুজিবর এর কাছ থেকে তিনি গ্রহণ করেন। মাসে মাসে পরিশোধ করতে থাকেন মজিবরের সুদ। মজিবর কে তিনি প্রায় ৭ লাখ টাকার বেশি সুদ দিয়েছেন এখনো মজিবর তার কাছে আসল টাকার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন।তিনি নিরুপায় এবং অনেক যন্ত্রণার মধ্যে কিছু টাকা ব্যবস্থা করে মজিবর কে দিতে গেলে মজিবর পুরো টাকাটাই তার কাছ থেকে নেয়ার জন্য বিভিন্ন উপায়ে শিশির মাস্টারের উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। এমতাবস্থায় শিশির মাস্টার তার অসহায়ত্ব, ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবনের যন্ত্রণা সবকিছু ভুলে যেতে নিজে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে চেয়েছিলেন। এমতাবস্থায় সাক্ষাৎ হলো বিডি ৭ নিউজ 24.com এর সাথে। তাকে সান্তনা দিয়ে কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে এবং মহান আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে বলে তাকে পরামর্শ দিয়েছি আমরা। দৃষ্টি আকর্ষণ করছি কর্তৃপক্ষদের কাছে এরকম অনেক ভদ্র এবং বিনয়ী মানুষগণ বিভিন্ন প্রতারনার শিকার হয়ে আজ তাদের পরিবারসহ নিজেরা ধ্বংস হয়ে জীবন শেষ করে দেয়ার পথে। উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়া এবং অপরাধীদের শাস্তি দিয়ে শিশির মাস্টারদের মত মানুষদের সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে এই প্রত্যাশায় সাধারণ জনগণ।
★ এখানে বিস্তারিত বিষয়টি জানার জন্য আমাদের নিউজ অফিসে শিশির মাস্টার, মতিয়া, হাসিব কবির,তার পিতা হুমায়ুন কবির, সুদ ব্যবসায়ী মুজিবর
সহ সকলের মোবাইল নাম্বার আমরা কালেক্ট করেছি। প্রয়োজনে আমরা তা প্রকাশ করব। ঘটনা সত্য এবং আসল ঘটনা উদঘাটনে বিডি৭ নিউজ 24.com কাজ করে যাচ্ছে অতি শীঘ্রই সকল ঘটনা উন্মোচন করে প্রকাশ করা হবে।।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |